আজওয়া খেজুর

৳ 1,350.00

Categories: ,

Description

“” আজওয়া খেজুরের উপকারিতা””
আজওয়া খেজুর সম্পর্কে,রাসুল(সা:)এর হাদিস: হযরত সাদ(রা:)থেকে বর্নিত, তিনি বলেন,আমি রাসুল (সা:) কে বলতে শুনেছি,যে ব্যক্তি ভোরবেলা সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে,সেদিন কোন বিষ,
বা যাদু তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
আজওয়া খেজুর হলো দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ
মানের খেজুর।**সহিহ বুখারী:৫৩৫৭ **।
** হযরত আয়েশা (রা:)থেকে বর্নিত তিনি
বলেন, হযরত রাসুল (সা:)বলেছেন নিশচয়
মদীনার আজওয়া খেজুর রোগ নিরাময়-
কারী এবং প্রাতঃ কালিন প্রতিষেধক।
**সহিহ মুসলিম **
কেন খাবেন এই খেজুর…..??
,,,,,কারন এটা সকলের জন্য মহাঔষধ,,,,
১/ লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখে।
২/ অন্ত:সস্তা নারীর সন্তান জন্মের সময় আজওয়া খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন প্রসারন ঘটিয়ে প্রসব হতে সাহায্য করে।
৩/ ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহব্বরের ক্যান্সারজনিত রোগ নিরাময় করে।
৪/ প্রসব প্রবর্তী কোসঠকাঠিন্য ও রক্ত ক্ষরন কমিয়ে দেয় ।
৫/ এতে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়।
৬/ এতে রয়েছে ৭৭.৫%কার্বোহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
৭/ এতে আছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ যা হাড়,দাঁত,নখ, ত্বক, ও চুল ভাল রাখতে সহায়তা করে ।
৮/ আজওয়া খেজুর হৃদরোগের ঝুকি কমায়,হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, লিভার ও পাকস্থলির শক্তি বৃদ্ধি করে।
৯/ ♥পৃথিবীর ইতিহাসে যৌন শক্তির এক মহাঔষধ, যা এক মাএ আল্লাহ তায়ালার পক্ষথেকে আজওয়া খেজুর বিশ্ববাসির জন্য নেয়ামত♥আজওয়া খেজুরের বরকতেই মক্কা ও মদীনা বাসির  দাম্পত্বী জীবন সবচাইতে মধুময় ।
১০/ আজওয়া খেজুর, ত্বকের উজ্জলতা বাড়ায়,চেহারাকে করে লাবন্যময় এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ এই খেজুর দৃষটি শক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ন কাজ করে।
তাই সুস্থ ও সুখিময় জীবন গড়ার জন্য  প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় খেজুর খাওয়া জরুরী,,,
মদীনার আজওয়া খেজুর,সহ সৌদিআরবের সকল ব্রান্ডের উন্নতমানের  কোয়ালিটি সম্পন্ন খেজুর বিক্রয়
আজওয়া খেজুরের ইতিহাস, আজওয়া খেজুর বিষ ক্রিয়া, হ্রদ রোগ ও যাদু টোনায় উপকারী,
আজওয়া খেজুরের ইতিহাস-:
হযরত সালমান ফার্সীর(রা:) মালিক ছিল একজন ইয়াহুদী। হযরত সালমান ফার্সী যখন মুক্তি চাইল তখন ইয়াহুদী এই মর্তে তাকে মুক্তি দিতে চাইল যে, যদি তিনি নিদ্দিষ্ট কয়েক দিনের মধ্যে নগদ ৬০০ দিনার দেন এবং তিশটি খেজুর গাছ রোপন করে আর খেজুর গাছে খেজুর ধরলে তবেই সে মুক্ত। আসলে ইহুদির মুক্তি দেবার ইচ্ছা ছিল না। কেননা সালমান ফার্সীর(রা:) পক্ষে ৬০০ দিনার যোগাড় করা কঠিন ছিল। আর ৬০০ দিনার যোগাড় করলেও খেজুর গাছ রোপন করে তাতে ফল ধরে ফল পাকানো অনেক সময়ের ব্যাপার। যাক। হযরত সালমান ফার্সী(রা:) রাসুল (সঃ) এর দরবারে এসে ঘটনা বর্ণনা করলেন। রাসুল (সঃ) ৬০০ দিনারের ব্যবস্থা করলেন। তারপর হযরত আলী (রাঃ) কে সাথে নিয়ে গেলেন ইয়াহুদীর কাছে। ইহুদী এক কাঁদি খেজুর দিয়ে বলল এই খেজুর থেকে চারা উৎপন্ন করে তবে ফল ফলাতে হবে। রাসুল (সঃ) দেখলেন যে, ইহুদীর দেয়া খেজুরগুলো সে আগুনে পুড়িয়ে কয়লা করে ফেলছে যাতে চারা না উঠে। রাসুল (সঃ) খেজুরের কাঁদি হাতে নিয়ে আলী (রাঃ) কে গর্ত করতে বললেন আর সালমান ফার্সী(রা:)কে বললেন পানি আনতে। আলী (রাঃ) গর্ত করলে রাসুল (সঃ) নিজ হাতে প্রতিটি গর্তে সেই পোড়া খেজুর রোপন করলেন। আল্লাহর অশেষ মহিমায় সেই পোড়া খেজুর থেকে চারা গজালো। রাসুল (সঃ) সালমান ফার্সী (রা:)কে এ দির্দেশ দিলেন যে, বাগানের শেষ প্রান্তে না যাওয়া পর্যন্ত তুমি পেছন ফিরে তাকাবে না। সালমান ফার্সী (রা:)পেছনে না তাকিয়ে পানি দিতে লাগলেন। বাগানের শেষ প্রান্তে যাওয়ার পর তিনি তাকিয়ে দেখলেন যে প্রতিটি গাছ খেজুরে পরিপূর্ণ। আর খেজুরগুলো পেকে কালো বর্ণ হয়ে গেছে। এই খেজুর পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খেজুর। আর স্বাদের দিক দিয়েও সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু। আর কেনইবা দামী হবে না? যে খেজুর রাসুলের নিজ হাতে রোপন করা। আলী রা: আমির ইবনে সাদ রা: তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে কয়েকটি আজওয়া খুরমা খাবে, ঐ দিন রাত পর্যন্ত কোন বিষ ও যাদু তার কোন ক্ষতি করবে না। অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ বলেছেন, সাতটি খুরমা।
হাদীস নং ৫৩৭৪ আলী (র) আমির ইবন সাদ তার পিতা থেকে বর্ণিত । তিনি বলেনঃ নবী (সা) বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে কয়েকটি আজওয়া খুরমা খাবে ঐ দিন রাত পর্যন্ত কোন বিষ ও যাদু তার কোন ক্ষতি করবে না । অন্যান্য বর্ননাকারীগণ বলেছেনঃ সাতটি খুরমা ।
সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫৩৫৬ জুমুআ ইবন আব্দুল্লাহ (র)……সাদ (রাঃ) তার পিতা থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যাহ সকালে সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন তাকে কোন বিষ ও যাদু ক্ষতি করবে না এর দ্বারা।
সুতরাং আজওয়া খেজুরের উপকারীতা হাদিস দ্বারা প্রমানীত তাই রোগের প্রতিষেধক হিসাবে ব্যবহার করতে পারি।
তাছাডা অন্য এক হাদিসে হ্রদ রোগের জন্য এ আজওয়া খেজুর ব্যবহার করতে বলেছেন।
আজওয়া খেজুর সম্পর্কে আরও অবাক করা কিছু তথ্য -::
*লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখে।
*অন্তঃসত্ত্বা নারীর সন্তান জন্মের সময় আজওয়া খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন। প্রসারণ ঘটিয়ে, প্রসব হতে সাহায্য করে।
*ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে।
*প্রসব-পরবর্তী কোষ্ঠকাঠিন্য ও রক্তক্ষরণ কমিয়ে দেয়।
*এতে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়। *এতে রয়েছে ৭৭.৫% কার্বহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প শক্তি হিসেবে কাজ করে।
*এতে রয়েছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ – যা হাড়, দাঁত, নখ, ত্বক, চুল ভালো রাখতে সহায়তা করে।
*স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
*আজওয়া খেজুর হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
*হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, লিভার ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক।
*ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
*ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই ফল দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
*রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
*নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা প্রশ্নাতীত।
*পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমায় উপকারী।
*উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাট সম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী।
*নেশাগ্রস্তদের অঙ্গক্ষয় প্রতিরোধ করে আজওয়া খেজুর। স্বাস্থ্য ভালো করতে বাড়িতে তৈরী ঘিয়ে ভাজা খেজুর ভাতের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
সব চেয়ে বড কথা হল এ খেজুরের গাছের গুটলি গুলো হুজুর সাঃ নিজ হাতে বপন করেছেন, সে হিসাবে অন্তরে মহব্বত নিয়ে বরকতের জন্য ও খেতে পারেন।আর শেফার নিয়তে তো খেতেই পারেন নিঃসংকোচে। আল্লাহ সহায় হউন।

Reviews

There are no reviews yet.

Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.